এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ২ : আয়াত ২০৩

সূরা ২ : আয়াত ২০৩

وَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ فِىٓ أَيَّامٍ مَّعْدُودَٰتٍ ۚ فَمَن تَعَجَّلَ فِى يَوْمَيْنِ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَن تَأَخَّرَ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ لِمَنِ ٱتَّقَىٰ ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّكُمْ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ

আর তোমরা নির্ধারিত দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করো।(৩৮) অতঃপর কেউ যদি তাড়াতাড়ি করে দুই দিনে (৩৯) চলে আসে, তবে তার কোনো পাপ নেই। আর যে ব্যক্তি বিলম্ব (৪০) করে আসে তারও কোনো পাপ নেই। এ (বিধান) তার জন্য যে তাক্‌ওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা আল্লাহ্‌র তাকওয়া অবলম্বন করো এবং জেনে রাখো, একদিন তোমাদেরকে তাঁরই নিকট সমবেত করা হবে।

তাফসীর ফাতহুল মাজীদ (Quran.com)

২০৩ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে হজ্জের আরেকটি রুকন বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলছেন- নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন অর্থাৎ আইয়ামে তাশরীক ১১, ১২, ১৩ই যুলহজ্জ তাসবীহ ও তাকবীর পাঠ করে আল্লাহ তা‘আলা-কে স্মরণ কর। যদি কেউ ১২ই যুলহজ্জ মিনায় কঙ্কর নিক্ষেপ করার পর সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা থেকে বের হয়ে যেতে চায় তাহলে তার কোন গুনাহ হবে না। আর যদি বিলম্ব করতঃ ১৩ তারিখে কঙ্কর মারে তাহলেও অপরাধ হবে না। আইয়ামে তাশরীকের দিনগুলোতে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর পড়া সুন্নাত। কেবল ফরয সালাতের পরই পড়া হবে তা নয়। বরং সব সময় এ তাকবীর “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লাইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার অলিল্লাহিল হামদ” পড়া বাঞ্ছণীয়। কঙ্কর নিক্ষেপের সময় “আল্লাহু আকবার” বলা সুন্নাত। (নায়নুল আওতার ৫/৪৬) আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়: ১. দীন সহজ। আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে এমন কিছু চাপিয়ে দেননি যা পালন করা সাধ্যাতীত। ২. মিনায় রাত যাপন ওয়াজিব। ৩. সকলকে আল্লাহ তা‘আলার কাছেই ফিরে যেতে হবে।
অন্য ভাষার তাফসীর · ৭