It has been made permissible for you to be intimate with your wives on the nights of the fast. They are a garment for you just as you are a garment for them. Allah knows that you used to deceive yourselves, so He accepted your repentance and pardoned you. So now you may have intimacy with them[84] and seek what Allah has destined for you. And eat and drink until you see the light of dawn distinct from the darkness of night, then complete the fast until nightfall. However, should you be in a devotional retreat in the mosques then do not be intimate with them. These are the limits set by Allah, so do not even come near to them. This is how Allah makes His verses clear to people, so that they may become righteous.
No Tafsir is available in the selected language for this Ayah. Showing an available text.
১৮৭. ইসলামে রোযার বিধান নাযিলের শুরুর দিকে কেউ যদি রোযার রাতে ঘুমিয়ে পড়তো এবং ফজরের পূর্বে সে জাগতো তখন তার জন্য কোন কিছু খাওয়া ও স্ত্রী সহবাস হারাম ছিলো। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তা রহিত করেছেন। তাই হে মু’মিনগণ! আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য রোযার রাতে স্ত্রী সহবাস করা হালাল করে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তারা তোমাদের জন্য আচ্ছাদন ও সাধুতার মাধ্যম আর তোমরাও তাদের জন্য আচ্ছাদন ও সাধুতার মাধ্যম। তোমাদের কেউ কখনো অন্যের প্রতি অমুখাপেক্ষী হতে পারো না। আল্লাহ তা‘আলা জানেন তোমরা তাঁর নিষিদ্ধ কর্মকাÐে জড়িত হয়ে বস্তুতঃ তোমরা নিজেদেরই ক্ষতি করেছো। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা দয়া করেই তোমাদের তাওবা গ্রহণ করেছেন। আর তোমাদের ব্যাপারগুলোকে সহজ করে দিয়েছেন। তাই তোমরা এখন তাদের সাথে সহবাস করতে পারো। আর আল্লাহ কর্তৃক তোমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সন্তানাদি গ্রহণ করতে পারো। উপরন্তু তোমরা পুরো রাতই খেতে ও পান করতে পারো যতক্ষণনা ফজরের শুভ্রতা রাতের অন্ধকার থেকে পৃথক হয়ে তথা সুবহে সাদিক পরিষ্কারভাবে দেখা দেয়। অতঃপর তোমরা ফজর উদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযা ভঙ্গ করে এমন বস্তুসমূহ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে রোযাগুলো পরিপূর্ণ করো। তবে তোমরা ই’তিকাফ থাকা অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো না। কারণ, এটি ই’তিকাফকে নষ্ট করে দেয়। উপরোক্ত বিধানগুলো মূলতঃ হালাল ও হারামের মাঝে দেয়া আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা। অতএব, কখনো তার নিকটবর্তী হয়ো না। কারণ, যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমারেখাগুলোর নিকটবর্তী হবে সে অচিরেই হারামে পতিত হবে। এ বিধানগুলোর পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট বর্ণনার ন্যায় আল্লাহ তা‘আলা তাঁর আয়াতসমূহ মানুষের জন্য বর্ণনা করে থাকেন। যাতে তারা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মানার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করতে পারে।