সিয়াম ও তাকওয়া
সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩-এ সিয়ামের বিধান ও তাকওয়ার লক্ষ্য উল্লেখ আছে।
সিয়াম, কুরআন, সালাত ও সদকার মাসটিকে জেনে, বুঝে এবং পরিকল্পনা করে কাটান।
দুইটি সময় লিখুন
◌ চাঁদ দেখা ও স্থানীয় ঘোষণার কারণে শুরু, শেষ ও ঈদের তারিখ বদলাতে পারে। ইবাদতের জন্য স্থানীয় বিশ্বস্ত ঘোষণাই অনুসরণ করুন।
এই মাসের লক্ষ্য শুধু খাবার-পানীয় থেকে বিরত থাকা নয়; তাকওয়া, কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক এবং উত্তম চরিত্র গড়া।
সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩-এ সিয়ামের বিধান ও তাকওয়ার লক্ষ্য উল্লেখ আছে।
২:১৮৫-এ রমাদানকে কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার মাস বলা হয়েছে। প্রতিদিন অল্প হলেও বুঝে পড়ার সময় রাখুন।
অসুস্থতা ও সফরের ক্ষেত্রে পরে সমসংখ্যক দিন পূরণের সুযোগ আছে। ব্যক্তিগত অবস্থার মাসআলা আলেমের কাছে জেনে নিন।
“আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজতা চান, কঠিনতা চান না।”
আল-কুরআন ২:১৮৫ · ভাবার্থ
সময়গুলো স্থানীয় ফজর ও মাগরিবের সময়সূচি দেখে ঠিক করুন। নিচের ধাপগুলো একটি ব্যবহারযোগ্য রুটিন, নির্দিষ্ট ফরজ তালিকা নয়।
ফজরের আগে খাবার ও পানীয় গ্রহণ করুন। সাহরিতে বরকতের কথা হাদীসে এসেছে।
বুখারী ১৯২৩ফজর শুরু হলে রোজা শুরু। সালাত, কুরআন, কাজ ও বিশ্রামে ভারসাম্য রাখুন; কথা ও আচরণেও সংযম রাখুন।
কুরআন ২:১৮৭ · বুখারী ১৮৯৪সূর্যাস্ত হলে রোজা ভাঙুন। ইফতারে অযথা দেরি না করার নির্দেশনা হাদীসে আছে।
বুখারী ১৯৫৭মাগরিব-ইশা, তারাবিহ/কিয়াম, দুআ এবং বিশ্রামের জন্য বাস্তবসম্মত সময় রাখুন।
বুখারী ৩৭এখানে নিজের অগ্রগতি রাখুন। তথ্য শুধু এই ব্রাউজারে থাকে।
যেদিন রোজা রেখেছেন, সেই দিনগুলো চিহ্নিত করুন। চাঁদ দেখার পরে মাস ২৯ দিন হলে ৩০তম ঘরটি উপেক্ষা করুন।
আপনার মুসহাফের মোট পৃষ্ঠা ও এই মাসে যত পৃষ্ঠা পড়েছেন লিখুন। ৬০৪ পৃষ্ঠা একটি প্রচলিত মুদ্রণ; আপনার কপিতে সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে।
নিজের বেছে নেওয়া যিকর গণনার ছোট সহায়ক। নির্দিষ্ট সংখ্যা বাধ্যতামূলক বোঝায় না।
অল্প কিন্তু নিয়মিত একটি লক্ষ্য বেছে নিন, তারপর সময় ও সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়ান।
প্রতিদিন তিলাওয়াতের সঙ্গে অর্থ ও তাফসীর পড়ার সময় রাখুন।
↗◈পাঁচ ওয়াক্ত সালাতকে কেন্দ্র করে দিনের পরিকল্পনা করুন; রাতে সামর্থ্য অনুযায়ী কিয়াম করুন।
↗❃নিজের, পরিবারের এবং অন্যদের জন্য দুআর তালিকা তৈরি করুন।
↗♡নিয়মিত দান, খাবার ভাগাভাগি এবং প্রয়োজনমতো সাহায্যের পরিকল্পনা রাখুন।
↗লাইলাতুল কদর খোঁজার জন্য শেষ দশ রাতে ইবাদত বাড়ান। শুধু একটি নির্দিষ্ট রাতে সীমাবদ্ধ করবেন না।
হাদীসে শেষ দশ রাত, বিশেষ করে বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর খোঁজার কথা এসেছে।
রাতের কিছু অংশে সালাত, কুরআন ও নিজের ভাষায় আন্তরিক দুআ রাখুন।
সুযোগ ও নিয়ম জানা থাকলে মসজিদে ইতিকাফের বিষয়ে স্থানীয় আলেম ও মসজিদের সঙ্গে সমন্বয় করুন।
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন।তিরমিযী ৩৫১৩-এ এই দুআর বর্ণনা আছে; বর্ণনার পাঠভেদে “كَرِيمٌ” শব্দটি পাওয়া যায়।এগুলো মূলনীতি ও প্রস্তুতির ইঙ্গিত। অসুস্থতা, গর্ভাবস্থা, ঋতুস্রাব, সফর, কাফফারা বা ফিদইয়ার ব্যক্তিগত বিধান জানতে যোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন।
স্থানীয়ভাবে রমাদানের চাঁদ দেখার ঘোষণা অনুসরণ করুন। প্রতিদিন ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সিয়াম।
বুখারী ১৯০৯ · কুরআন ২:১৮৭কুরআনে অসুস্থ ও সফররত ব্যক্তির জন্য পরে সমসংখ্যক দিন পূরণের কথা আছে। আপনার অবস্থা অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান জেনে নিন।
কুরআন ২:১৮৪–১৮৫ভুলে খাওয়া বা পান করলে রোজা চালিয়ে যেতে হাদীসে বলা হয়েছে। ইচ্ছাকৃত ভঙ্গের বিধান আলাদা।
বুখারী ১৯৩৩সদাকাতুল ফিতর ঈদের সালাতের আগে আদায়ের বর্ণনা আছে। পরিমাণ, খাদ্য বা অর্থের স্থানীয় বিধান ও মূল্য বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জানুন।
বুখারী ১৫০৩না। চাঁদ দেখার ভিত্তিতে মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়। এই পেজের গণনাভিত্তিক তারিখ চূড়ান্ত ঘোষণা নয়।
সাহরি বরকতময় সুন্নাহ; সাহরি না খাওয়া নিজে রোজা বাতিল করে না। নিয়ত ও অন্যান্য শর্ত নিয়ে আপনার অনুসৃত আলেমের নির্দেশনা মেনে চলুন।
রাকাত সংখ্যা ও পদ্ধতিতে স্বীকৃত ফিকহি মতভেদ আছে। নিজের মসজিদের ইমাম ও অনুসৃত আলেমের নির্দেশনা মেনে চলুন।
শুধু ২৭তম রাতে সীমাবদ্ধ না থেকে শেষ দশ রাত, বিশেষ করে বেজোড় রাতগুলোতে চেষ্টা করুন।
উপরের কার্ডে IP থেকে আনুমানিক এলাকা ধরে সময় গণনা করা হয়। এলাকা ও গণনার পদ্ধতি বদলাতে পারেন, অথবা স্থানীয় সময়সূচি দেখে সময় হাতে ঠিক করতে পারেন।
উপরের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাগুলো যাচাই করার জন্য মূল আয়াত ও হাদীসের লিংক।
এই পেজ শিক্ষামূলক। ব্যক্তিগত ফিকহি সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় চাঁদ দেখার ঘোষণার জন্য বিশ্বস্ত আলেম/কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিন।