ইউসুফের সম্মানিত নবুওয়াতের বংশপরিচয় উল্লেখিত।
তথ্যসূত্র · ১
- সহিহ বুখারি · 3382 · ইউসুফের বংশপরিচয়ে ইয়াকুব, ইসহাক ও ইব্রাহিমের নাম এসেছে।
ইউসুফ (আ.) ইয়াকুবের পুত্র, ইসহাকের পৌত্র ও ইব্রাহিমের প্রপৌত্র। তাঁর নামে কুরআনের একটি সূরা আছে।
ইউসুফ (আ.) ইয়াকুবের পুত্র, ইসহাকের পৌত্র ও ইব্রাহিমের প্রপৌত্র। তাঁর নামে কুরআনের একটি সূরা আছে।
সূরা ইউসুফে তাঁর শৈশব, পরীক্ষা, জ্ঞান, কারাবাস ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠা ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত। গাফিরে তাঁর প্রমাণসহ আগমনের কথাও আছে। হাদিসে তাঁর নবুওয়াতের বংশকে সম্মানিত বংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তাঁর প্রধান কর্মক্ষেত্র মিসর। কুরআন সমসাময়িক শাসককে রাজা বলে; তাঁর নাম দেয় না।
পরিবার থেকে বিচ্ছেদের পরে মিসরে বিক্রি হওয়া এবং পরে পরিবারকে সেখানে আনার মাধ্যমে স্থানান্তরের পরিচয় পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট রাজবংশ বা খ্রিষ্টপূর্ব সাল আয়াত থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি কারাগারেও এক আল্লাহর ইবাদতের শিক্ষা দেন।
স্বপ্নব্যাখ্যার আগে সহবন্দিদের কাছে বহুদেবতার পরিবর্তে এক আল্লাহর কর্তৃত্বের কথা বলেন। মুক্তির পর দায়িত্ব পেলে খাদ্যসংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বিশ্বস্ততা ও দক্ষতার ভূমিকা রাখেন। তাঁর নবুওয়াত ধর্মীয় আহ্বান ও মানুষের প্রয়োজন মেটানোর দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত।
কারাগারে তাঁর তাওহিদের বক্তব্য ব্যক্তিগত বিপদের মধ্যেও ধর্মীয় দায়িত্বের উদাহরণ। পরবর্তী ক্ষমতায় ভাইদের সামনে তিনি তাকওয়া ও ধৈর্যের কথা বলেন এবং প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমা করেন। নিজের প্রতিষ্ঠাকে রবের অনুগ্রহ হিসেবে স্মরণ করেন। তাই তাঁর দায়িত্ব স্বপ্নের ব্যাখ্যাকারী থেকে মানুষকে শিক্ষা দেওয়া ও ন্যায়ভিত্তিক দায়িত্ব পালনের বৃহত্তর পরিচয়ে বিস্তৃত।
ইয়াকুব তাঁর পিতা এবং কুরআনে ভাইদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিস্তৃতভাবে এসেছে।
ঈর্ষা, বিচ্ছেদ, পিতার শোক ও শেষের পুনর্মিলন পারিবারিক পরিচয়ের প্রধান অংশ। তাঁর নিজের স্ত্রীর নাম কুরআনে নেই; জুলায়খা নামে প্রচলিত পরিচয়কে আয়াতের সরাসরি বক্তব্য করা হয়নি।
আল্লাহ তাঁকে হুকুম ও জ্ঞান এবং স্বপ্নব্যাখ্যার শিক্ষা দেন।
নৈতিক প্রলোভন থেকে আত্মরক্ষা, নির্দোষতার প্রকাশ, দুর্ভিক্ষের পূর্বপ্রস্তুতি এবং ভাইদের ক্ষমা তাঁর বিশেষ পরিচয়। মিরাজের হাদিসে তাঁর সৌন্দর্য ও তৃতীয় আসমানে সাক্ষাতের কথাও আছে।
দুর্ভিক্ষের প্রস্তুতিতে তাঁর ব্যাখ্যায় উৎপাদন, শস্য সংরক্ষণ এবং কঠিন সময়ের জন্য মজুতের পরিকল্পনা আছে। মুক্তির সুযোগ এলেও তিনি নারীদের ঘটনার সত্যতা প্রকাশের আবেদন করেন। এরপর রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিজেকে সংরক্ষণে বিশ্বস্ত ও জ্ঞানসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করেন। এতে জ্ঞান, সুনাম ও দক্ষতার সমন্বয় তাঁর জনজীবনের পরিচয় দেয়।
কুয়োর পরীক্ষার সময় তাঁর প্রতি ওহির কথা এসেছে।
তাঁর ব্যাখ্যার জ্ঞান আল্লাহর শিক্ষা হিসেবে পরিচিত। আলাদা নামযুক্ত কিতাব নেই; তাওহিদ, বিশ্বস্ততা ও আল্লাহর অনুগ্রহ স্বীকার তাঁর শিক্ষার প্রধান বিষয়।
কুরআন তাঁর কর্তৃত্ব ও পরিবারের মিলনের কথা বলে, কিন্তু মোট আয়ু ও মৃত্যুর সাল দেয় না।
তাঁর দোয়ায় মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা আছে। এটি প্রার্থনার বক্তব্য; তা থেকে মৃত্যুর তারিখ নির্ধারিত হয় না।
পরিচয়, দায়িত্ব ও জীবনসংক্রান্ত প্রধান কুরআনিক সূত্রগুলো বিষয় অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।
পরিচয় ও নবুওয়াতে অবস্থান — ইউসুফ ১২:৬; ইউসুফ ১২:৩৮; গাফির ৪০:৩৪.
কখন এসেছিলেন ও কর্মক্ষেত্র — ইউসুফ ১২:২১; ইউসুফ ১২:৪৩; ইউসুফ ১২:৯৯.
নবুওয়াতের দায়িত্ব ও দাওয়াত — ইউসুফ ১২:৩৭–৪০; ইউসুফ ১২:৫৪–৫৭; ইউসুফ ১২:৯০–১০১.
পরিবার ও বংশপরিচয় — ইউসুফ ১২:৪–৬; ইউসুফ ১২:৮–১৮; ইউসুফ ১২:৮৯–১০০.
বিশেষ মর্যাদা ও নিদর্শন — ইউসুফ ১২:২২–২৪; ইউসুফ ১২:৪৬–৪৯; ইউসুফ ১২:৫৫; ইউসুফ ১২:৯২; ইউসুফ ১২:৪৭–৪৯; ইউসুফ ১২:৫০–৫৩; ইউসুফ ১২:৫৫–৫৭.
ওহি, কিতাব ও শিক্ষা — ইউসুফ ১২:১৫; ইউসুফ ১২:৩৭; ইউসুফ ১২:১০১.
আয়ু ও জীবনের শেষ পর্ব — ইউসুফ ১২:৯৯–১০১.
সংশ্লিষ্ট হাদিসের সারাংশ ও গ্রন্থ-নম্বর।
ইউসুফের সম্মানিত নবুওয়াতের বংশপরিচয় উল্লেখিত। — সহিহ বুখারি ৩৩৮২.
মিরাজে তৃতীয় আসমানে ইউসুফের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর সৌন্দর্যের বর্ণনা আছে। — সহিহ মুসলিম ১৬২a.
ইউসুফের সম্মানিত নবুওয়াতের বংশপরিচয় উল্লেখিত।
মিরাজে তৃতীয় আসমানে ইউসুফের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর সৌন্দর্যের বর্ণনা আছে।
تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ
অর্থের সারাংশমুসলিম অবস্থায় মৃত্যু ও সৎকর্মশীলদের সঙ্গের প্রার্থনা