এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ১১ : আয়াত ৯৪

সূরা ১১ : আয়াত ৯৪

وَلَمَّا جَآءَ أَمْرُنَا نَجَّيْنَا شُعَيْبًا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَعَهُۥ بِرَحْمَةٍ مِّنَّا وَأَخَذَتِ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ٱلصَّيْحَةُ فَأَصْبَحُوا۟ فِى دِيَـٰرِهِمْ جَـٰثِمِينَ

অবশেষে যখন (শু‘আইবের সম্প্রদায়ের ধ্বংসের ব্যাপারে) আমার নির্দেশ আসলো, তখন শু‘আইব ও তার সাথে যারা ঈমান এনেছিল, তাদেরকে আমার রহমতের দ্বারা মুক্তি দিলাম। আর যারা যুলম করেছিল তাদেরকে (শাস্তি হিসেবে) পাকড়াও করল বিকট শব্দ। ফলে তারা নিজ নিজ গৃহে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকলো।

তাফসীর ইবনে কাসীর

৯৩-৯৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহর নবী হযরত শুআ’ইব (আঃ) যখন তাঁর কওমের ঈমান আনয়নের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে যান তখন তিনি তাদেরকে বলেনঃ “ঠিক আছে, তোমরা নিজেদের নীতির উপর থাকো, আমিও আমার নীতির উপর থাকলাম। তোমরা সত্বরই জানতে পারবে যে, লাঞ্ছিত ও অপমাণিতকারী শাস্তি কার উপর অবতীর্ণ হচ্ছে এবং আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী কে? তোমরা এর জন্যে অপেক্ষা করতে থাকো, আমিও অপেক্ষায় রইলাম। শেষ পর্যন্ত তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি এসেই গেল। ঐ সময় আল্লাহর নবী হযরত শুআ’ইব কে (আঃ) এবং তাঁর সঙ্গীয় মু'মিনদেরকে বাঁচিয়ে নেয়া হলো। তাঁদের উপর মহান আল্লাহর করুণা বর্ষিত হলো এবং ঐ অত্যাচারীদেরকে তছনছ করে দেয়া হলো।

তারা এমন ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল যে, যেন তারা তাদের বাসভূমিতে কখনো বসবাস করেই নাই। তাদের পূর্বে সামুদ সম্প্রদায় যেমনভাবে আল্লাহর অভিশাপের শিকার হয়েছিল, তেমনিভাবে হযরত শুআ’ইবের (আঃ) কওমও অভিশপ্ত হয়েছিল। সামূদ সম্প্রদায় ছিল তাদের প্রতিবেশী এবং কুফরী ও বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মতই ছিল। তাছাড়া এই উভয় কওমই ছিল আরবীয়।

অন্য ভাষার তাফসীর · ৭