✦ আদম থেকে মুহাম্মদ ﷺ

নবীদের ক্রম ও পরিবারবৃক্ষ

আদম (আ.) থেকে মুহাম্মদ ﷺ পর্যন্ত নবীদের যুগক্রম দেখুন। নামে চাপলে জীবনী, আর ‘গাছে দেখুন’ চাপলে পরিবারবৃক্ষ দেখবেন।

25 জন নবী4 পরিবারের শাখা33:40 ↗
۞

নবীদের ধারাবাহিক পথ

এটি পড়ার সুবিধার জন্য পরিচিত যুগের আনুমানিক বিন্যাস। একই যুগের অনেক নবীর সুনির্দিষ্ট জন্ম, আগমন বা মৃত্যুর ক্রম জানা নেই। ধারার রেখাটি সময়ের অগ্রগতি বোঝায়, বংশসূত্র নয়।

33:40 ↗
01

আদি যুগ

  1. 01
    আদম (আ.)

    আদম (আ.) মানবজাতির আদি পিতা ও প্রথম নবী। তিনি নূহ (আ.)-এর পূর্ববর্তী এবং তাঁর স্ত্রী হাওয়া। কুরআনে আল্লাহর মনোনয়ন, নামসমূহের শিক্ষা ও তাঁর প্রতি হিদায়াতের কথা আছে। হাদিসে তাঁর নবুওয়াত, সৃষ্টির দিন, দৈহিক বর্ণনা, বংশধর ও আয়ুর তথ্য পাওয়া যায়।

    2/30 ↗
  2. 02
    ইদরিস (আ.)

    ইদরিস (আ.) কুরআনে নামোল্লেখিত নবীদের একজন। তাঁকে সিদ্দীক বা অত্যন্ত সত্যনিষ্ঠ এবং নবী বলা হয়েছে।

    19/56 ↗
  3. 03
    নূহ (আ.)

    নূহ (আ.) আল্লাহর রাসুল এবং দৃঢ় অঙ্গীকারপ্রাপ্ত নবীদের একজন। কুরআনে তাঁকে কৃতজ্ঞ বান্দা বলা হয়েছে।

    71/1 ↗
02

নূহের পরের জনগোষ্ঠী

  1. 04
    হূদ (আ.)

    হূদ (আ.) আদ জাতির কাছে প্রেরিত আল্লাহর রাসুল। কুরআন তাঁকে তাঁদের ভাই হিসেবে পরিচয় দেয়।

    11/50 ↗
  2. 05
    সালিহ (আ.)

    সালিহ (আ.) সামূদ জাতির রাসুল। কুরআন তাঁকে নিজের কওমের ভাই ও বিশ্বস্ত রাসুল হিসেবে পরিচয় দেয়।

    11/61 ↗
03

ইবরাহিম ও তাঁর পরবর্তী পরিবার

  1. 06
    ইব্রাহিম (আ.)

    ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নবী ও রাসুল; তাঁকে খলিল বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করার কথা কুরআনে আছে।

    19/41 ↗
  2. 07
    লূত (আ.)

    লূত (আ.) বিশ্বস্ত রাসুল হিসেবে নিজের কওমকে আল্লাহভীতি ও আনুগত্যের আহ্বান জানান।

    11/77 ↗
  3. 08
    ইসমাইল (আ.)

    ইসমাইল (আ.) ইব্রাহিমের পুত্র এবং আল্লাহর রাসুল ও নবী। কুরআন তাঁকে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সত্যনিষ্ঠ বলে।

    19/54 ↗
  4. 09
    ইসহাক (আ.)

    ইসহাক (আ.) ইব্রাহিমের পুত্র এবং সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত নবী।

    11/71 ↗
  5. 10
    ইয়াকুব (আ.)

    ইয়াকুব (আ.) ইসহাকের পুত্র, ইব্রাহিমের পৌত্র এবং ইউসুফের পিতা। তিনি ইসরাইল নামেও পরিচিত।

    19/49 ↗
  6. 11
    ইউসুফ (আ.)

    ইউসুফ (আ.) ইয়াকুবের পুত্র, ইসহাকের পৌত্র ও ইব্রাহিমের প্রপৌত্র। তাঁর নামে কুরআনের একটি সূরা আছে।

    12/4 ↗
  7. 12
    আইয়ুব (আ.)

    আইয়ুব (আ.) ওহিপ্রাপ্ত নবী এবং আল্লাহর প্রশংসিত ধৈর্যশীল বান্দা।

    21/83 ↗
  8. 13
    শুআইব (আ.)

    শুআইব (আ.) মাদইয়ানের কাছে প্রেরিত বিশ্বস্ত রাসুল।

    11/84 ↗
04

বনী ইসরাঈলের বিভিন্ন যুগ

  1. 14
    মূসা (আ.)

    মূসা (আ.) আল্লাহর মনোনীত রাসুল ও নবী এবং তাওরাতপ্রাপ্ত। আল্লাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন।

    20/9 ↗
  2. 15
    হারূন (আ.)

    হারূন (আ.) মূসার ভাই এবং আল্লাহর নবী। মূসার সহকারী হিসেবে তাঁকে দেওয়ার কথা এসেছে।

    20/30 ↗
  3. 16
    যুলকিফল (আ.)

    যুলকিফল কুরআনে ধৈর্যশীল, সৎকর্মশীল ও উত্তমদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখিত। প্রচলিত ২৫ নবীর তালিকায় তাঁর নাম থাকে।

    21/85 ↗
  4. 17
    দাউদ (আ.)

    দাউদ (আ.) নবী, শাসক ও বিচারক। আল্লাহ তাঁকে রাজত্ব ও হিকমত এবং যাবুর দেন।

    38/17 ↗
  5. 18
    সুলাইমান (আ.)

    সুলাইমান (আ.) দাউদের পুত্র এবং ওহিপ্রাপ্ত নবী। তাঁকে উত্তম বান্দা ও আল্লাহমুখী বলা হয়েছে।

    38/30 ↗
  6. 19
    ইলিয়াস (আ.)

    ইলিয়াস (আ.)-কে কুরআন সরাসরি রাসুলদের অন্তর্ভুক্ত বলেছে।

    37/123 ↗
  7. 20
    আল-ইয়াসা (আ.)

    আল-ইয়াসা (আ.) কুরআনের হিদায়াতপ্রাপ্ত নবীদের তালিকায় উল্লেখিত। সূরা সাদে তাঁকে উত্তমদের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।

    38/48 ↗
  8. 21
    ইউনুস (আ.)

    ইউনুস (আ.) আল্লাহর রাসুল। কুরআনে যুন-নূন ও মাছের সঙ্গী পরিচয়েও উল্লেখিত।

    37/139 ↗
05

ঈসা (আ.)-এর পূর্ব ও তাঁর যুগ

  1. 22
    যাকারিয়া (আ.)

    যাকারিয়া (আ.) নবী, ইয়াহইয়ার পিতা এবং মারইয়ামের তত্ত্বাবধায়ক।

    19/2 ↗
  2. 23
    ইয়াহইয়া (আ.)

    ইয়াহইয়া (আ.) যাকারিয়ার পুত্র এবং সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত নবী।

    19/7 ↗
  3. 24
    ঈসা (আ.)

    ঈসা (আ.) মারইয়ামের পুত্র, আল-মসীহ এবং আল্লাহর রাসুল ও বান্দা। তাঁকে ইনজিল দেওয়া হয়েছে।

    19/30 ↗
06

শেষ নবী

  1. 25
    মুহাম্মদ ﷺ

    মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল ও শেষ নবী। তাঁর দাওয়াত সমগ্র মানবজাতির জন্য এবং তাঁকে জগতসমূহের রহমত হিসেবে প্রেরণের কথা কুরআনে আছে।

    33/40 ↗
✧

গাছটি যেভাবে পড়বেন

সবুজ রেখা পরিচিত পারিবারিক সম্পর্ক বোঝায়। বিন্দুযুক্ত রেখা অজানা প্রজন্ম বা যুগের ব্যবধান; তা সরাসরি বাবা–সন্তানের দাবি নয়। পাশাপাশি থাকা স্বাধীন নবীদের মধ্যেও বংশের দাবি করা হয়নি। কিছু পরিবারের নাম জীবনীসূত্রে প্রচলিত, কুরআনের আয়াতে নাম ধরে নেই।

01

আদি পরিবার

আদম, ইদরিস ও নূহের যুগ। বিন্দুযুক্ত রেখা সময়ের ব্যবধান বোঝায়; সরাসরি পিতা–সন্তান নয়।

02

ইবরাহিমের দুই শাখা

ইসমাইল ও ইসহাক—দুই পুত্র থেকে পরিচিত দুই বংশধারা। প্রতিটি নামে চাপলে ভেতরের পরিবার খুলবে।

03

বনী ইসরাঈলের পরিচিত পরিবার

ইয়াকুবের পরের বিভিন্ন যুগের পরিবার। মাঝের পূর্ণ বংশধারা অজানা বলে পরিবারগুলো আলাদা রাখা হয়েছে।

04

আরও নবী ও তাঁদের পরিবার

এঁদের মধ্যে এখানে নিশ্চিত পিতা–সন্তানের ধারাবাহিকতা নেই। তাই একে অন্যের বংশধর হিসেবে দেখানো হয়নি।