মিরাজে পঞ্চম আসমানে হারূনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বর্ণিত।
তথ্যসূত্র · ১
- সহিহ মুসলিম · 162a · মিরাজে চতুর্থ আসমানে ইদরিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ বর্ণিত হয়েছে।
হারূন (আ.) মূসার ভাই এবং আল্লাহর নবী। মূসার সহকারী হিসেবে তাঁকে দেওয়ার কথা এসেছে।
হারূন (আ.) মূসার ভাই এবং আল্লাহর নবী। মূসার সহকারী হিসেবে তাঁকে দেওয়ার কথা এসেছে।
তাঁর নবুওয়াত কেবল প্রশাসনিক সহযোগিতা নয়; সূরা মারইয়ামে সরাসরি নবী বলা হয়েছে। দুই ভাইয়ের যৌথ দায়িত্বে একই বার্তা ও একই প্রতিপক্ষের সামনে উপস্থিত হওয়ার বর্ণনা আছে।
তাঁর যুগ মূসার সঙ্গে একই। কুরআনে বয়সের ব্যবধান বা জন্মসাল নেই।
মূসা তাঁর স্পষ্টভাষিতার কথা উল্লেখ করে সহায়তা চান। তাঁদের দায়িত্বের ক্ষেত্র ফিরআউনের দরবার থেকে বনি ইসরাইলের মুক্তি ও পরবর্তী সমাজ পর্যন্ত বিস্তৃত।
তিনি মূসার সঙ্গে ফিরআউনকে বার্তা দেন এবং অনুপস্থিতিতে কওমের দায়িত্ব পান।
গোবৎসের উপাসনার সময় তিনি কওমকে সতর্ক করেন ও অনুসরণ করতে বলেন। আলাদা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও তাঁর বক্তব্যে আছে। তাঁর অবস্থানকে গোবৎস বানানো বা উপাসনার অনুমোদন হিসেবে কুরআন দেখায় না।
মূসা তূরে যাওয়ার সময় তাঁকে কওমের মধ্যে দায়িত্ব দিয়ে সংশোধনের নির্দেশ দেন। হারূন গোবৎসকে পরীক্ষা বলে চিহ্নিত করেন এবং প্রকৃত রবকে অনুসরণের আহ্বান জানান। নিজের বক্তব্যে কওমের বিভক্তি রোধের চেষ্টা ব্যাখ্যা করেন। তাঁর পরিচয়ে নেতৃত্ব, ভাইয়ের সহযোগিতা ও কঠিন সামাজিক পরিস্থিতিতে উপদেশের বিষয় এভাবে একত্রে আসে।
মূসা তাঁর ভাই; উভয়ের একই মায়ের সম্পর্ক সংলাপে এসেছে।
ঈসার মা মারইয়ামকে হারূনের বোন বলে সম্বোধনের আয়াতকে মূসার ভাই হারূনের সরাসরি সমসাময়িক বোন হিসেবে পড়া হয় না। সহিহ মুসলিমের ব্যাখ্যায় আগেকার সৎ ব্যক্তিদের নামে নাম রাখার প্রথার কথা আছে।
মূসা ও হারূনকে ফুরকান, আলো ও স্মরণিকা দেওয়ার কথা আছে।
তাঁদের স্পষ্ট কিতাব ও সরল পথের হিদায়াতের কথাও এসেছে। হারূনের জন্য অন্য নামে স্বতন্ত্র কিতাব নির্ধারিত নয়; যৌথ দায়িত্বের শিক্ষা কুরআনে সংরক্ষিত।
মূসার জন্য আল্লাহর রহমত হিসেবে তাঁর নবুওয়াতের উল্লেখ বিশেষ মর্যাদা।
দুই ভাইকে বিশ্বাসী বান্দা ও সৎকর্মশীল হিসেবে সালাম জানানো হয়েছে। মিরাজের বর্ণনায় পঞ্চম আসমানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও স্বাগত জানানোর কথা আছে।
মূল কুরআনিক আয়াতে তাঁর মোট আয়ু বা মৃত্যুর সাল নেই।
তাঁর শেষ পরিচিতি মূসার সহযোগী নবী এবং কওমকে সংশোধনের দায়িত্বে। পরবর্তী সমাধির দাবিকে এই মূল পরিচয়ের সমান নির্দিষ্টতা দেওয়া হয়নি।
পরিচয়, দায়িত্ব ও জীবনসংক্রান্ত প্রধান কুরআনিক সূত্রগুলো বিষয় অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।
পরিচয় ও নবুওয়াতে অবস্থান — মারইয়াম ১৯:৫৩; আল-ফুরকান ২৫:৩৫.
কখন এসেছিলেন ও কর্মক্ষেত্র — ত্বহা ২০:২৯–৩৬; আল-কাসাস ২৮:৩৪.
নবুওয়াতের দায়িত্ব ও দাওয়াত — ত্বহা ২০:৪২–৪৮; ত্বহা ২০:৯০–৯৪; আল-আরাফ ৭:১৪২.
পরিবার ও বংশপরিচয় — ত্বহা ২০:৩০; আল-আরাফ ৭:১৫০; মারইয়াম ১৯:২৮.
ওহি, কিতাব ও শিক্ষা — আল-আম্বিয়া ২১:৪৮; আস-সাফফাত ৩৭:১১৭–১১৮.
বিশেষ মর্যাদা ও নিদর্শন — মারইয়াম ১৯:৫৩; আস-সাফফাত ৩৭:১১৪–১২২.
আয়ু ও জীবনের শেষ পর্ব — আস-সাফফাত ৩৭:১১৯–১২২.
সংশ্লিষ্ট হাদিসের সারাংশ ও গ্রন্থ-নম্বর।
মিরাজে পঞ্চম আসমানে হারূনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বর্ণিত। — সহিহ মুসলিম ১৬২a.
মারইয়ামকে হারূনের বোন বলার প্রশ্নে পূর্ববর্তী সৎ ব্যক্তিদের নামে নাম রাখার প্রথার ব্যাখ্যা এসেছে। — সহিহ মুসলিম ২১৩৫.
মিরাজে পঞ্চম আসমানে হারূনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বর্ণিত।
মারইয়ামকে হারূনের বোন বলার প্রশ্নে পূর্ববর্তী সৎ ব্যক্তিদের নামে নাম রাখার প্রথার ব্যাখ্যা এসেছে।