বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)

পরিচিতি

নবীর চাচাতো ভাই, তাফসির ও ফিকহের প্রধান সাহাবি শিক্ষক এবং তরুণ বয়সে নবীর সঙ্গপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

১

পরিচয় ও বংশপরিচয়

তাঁর পিতা আব্বাস এবং মাতা উম্মুল ফাদল লুবাবা বিনতে আল-হারিস। তিনি নবীর জীবদ্দশায় শিশু-কিশোর ছিলেন।

বয়সের তুলনায় জ্ঞানচর্চায় অগ্রগতি এবং প্রবীণ সাহাবিদের কাছে শেখা তাঁর পরবর্তী আলিম পরিচয়ের ভিত্তি।

তথ্যসূত্র · ২
  • ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
  • আয-যাহাবি — সিয়ারু আলামিন নুবালা
২

পরিবার ও সম্পর্ক

আব্বাসের পুত্র হিসেবে তিনি নবীর চাচাতো ভাই। মায়মুনা বিনতে আল-হারিস তাঁর খালা।

মায়মুনার ঘরে নবীর রাতের ইবাদত দেখার সুযোগ তাঁর কিছু হাদিসের প্রেক্ষাপট। পারিবারিক নৈকট্য জ্ঞানলাভের সুযোগও তৈরি করেছিল।

তথ্যসূত্র · ১
  • ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
৩

বিশেষ মর্যাদা ও অবদান

আল-বুখারি ৩৭৫৬-এ নবী তাঁর জন্য প্রজ্ঞার শিক্ষা চেয়ে দোয়া করেন। তাফসিরে তাঁর বিশেষ পরিচয়ের সঙ্গে এই হাদিস সম্পর্কিত।

মুজাহিদ, ইকরিমা ও সাঈদ ইবনে জুবাইরের মতো পরবর্তী শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তাঁর ব্যাখ্যাধারা প্রচারিত হয়।

তথ্যসূত্র · ২
  • সহিহ আল-বুখারি ৩৭৫৬
  • আয-যাহাবি — সিয়ারু আলামিন নুবালা
৪

জীবনের শেষ পর্ব

শেষ জীবনে তিনি তায়িফে বসবাস করেন এবং সেখানেই মারা যান। ৬৮ হিজরি বহুল পরিচিত মৃত্যুসাল, অন্য মতও আছে।

তাঁর নামে প্রচলিত সব তাফসিরগ্রন্থ তাঁর নিজের লেখা নয়; বর্ণিত মত ও পরবর্তী সংকলন আলাদা বিষয়।

তথ্যসূত্র · ২
  • ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
  • আয-যাহাবি — সিয়ারু আলামিন নুবালা

তথ্যসূত্র

তথ্যসূত্র · ৩
  • ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
  • আয-যাহাবি — সিয়ারু আলামিন নুবালা
  • সহিহ আল-বুখারি ৩৭৫৬
তালিকায় ফিরুন