যায়দ ইবনে হারিসা (রা.)
পরিচিতি
নবীর মুক্তিপ্রাপ্ত প্রিয় সাহাবি, উসামার পিতা এবং কুরআনে ব্যক্তিনামে উল্লিখিত সাহাবি।
পরিচয় ও বংশপরিচয়
যায়দ ইবনে হারিসা দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে নবীর ঘনিষ্ঠ পরিবারিক পরিমণ্ডলে ছিলেন। একসময় পালকপুত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
আল-আহযাব ৩৩:৪–৫ জন্মদাতা পিতার পরিচয়ে ডাকার বিধান দেয়। তাই তাঁর নাম হারিসার পুত্র যায়দ, মুহাম্মদের জন্মপুত্র নয়।
তথ্যসূত্র · ২
- ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
- আল-কুরআন ৩৩:৪-৫
পরিবার ও সম্পর্ক
উম্মে আয়মান তাঁর স্ত্রী এবং উসামা তাঁদের পুত্র। যয়নব বিনতে জাহশের সঙ্গে তাঁর পূর্ববর্তী বিবাহ ও বিচ্ছেদও পরিচিত।
আল-আহযাব ৩৩:৩৭-এ তাঁর নাম আছে। পালকসম্পর্ক ও জন্মসম্পর্কের আইনি পার্থক্য সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র · ৫
- আল-কুরআন ৩৩:৩৭
- সহিহ আল-বুখারি ৩৭৩০
- সহিহ আল-বুখারি ৪২৬২
- ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
- আল-কুরআন ৩৩:৪-৫
জীবন ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা
আল-বুখারি ৩৭৩০-এ নবী তাঁর নেতৃত্বের যোগ্যতা ও নিজের কাছে প্রিয় হওয়ার কথা বলেন।
মুতার অভিযানে তিন নির্ধারিত সেনানায়কের মধ্যে তিনি প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। আল-বুখারি ৪২৬২-এ পতাকা হাতে তাঁর শাহাদাতের সংবাদ আছে।
তথ্যসূত্র · ৫
- আল-কুরআন ৩৩:৩৭
- সহিহ আল-বুখারি ৩৭৩০
- সহিহ আল-বুখারি ৪২৬২
- ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
- আল-কুরআন ৩৩:৪-৫
জীবনের শেষ পর্ব
তিনি ৮ হিজরিতে মুতায় শহিদ হন। তাঁর পরে জাফর ও আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা পতাকা নেন।
তাঁর জীবন মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তির মর্যাদা, নবীর আস্থা ও সামরিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচয় বহন করে।
তথ্যসূত্র · ২
- সহিহ আল-বুখারি ৪২৬২
- ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
তথ্যসূত্র
তথ্যসূত্র · ৫
- ইবনে আবদুল বার — আল-ইস্তিআব ফি মারিফাতিল আসহাব
- আল-কুরআন ৩৩:৪-৫
- আল-কুরআন ৩৩:৩৭
- সহিহ আল-বুখারি ৩৭৩০
- সহিহ আল-বুখারি ৪২৬২