এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ২৯ : আয়াত ১৩

সূরা ২৯ : আয়াত ১৩

وَلَيَحْمِلُنَّ أَثْقَالَهُمْ وَأَثْقَالًا مَّعَ أَثْقَالِهِمْ ۖ وَلَيُسْـَٔلُنَّ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ عَمَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ

আর অবশ্যই তারা বহন করবে, তাদের (পাপের)বোঝা এবং তাদের (পাপের) বোঝার সাথে আরো কিছু (অনুসারীদের পাপের) বোঝা। আর তারা কিয়ামতের দিন অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে সে সম্পর্কে, যা তারা মিথ্যা বানাতো।

তাফসীর আহসানুল বায়ান

ওরা অবশ্যই নিজেদের পাপভার বহন করবে এবং তার সঙ্গে আরও কিছু পাপের বোঝা[১] এবং ওরা যে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, সে সম্পর্কে কিয়ামতের দিন অবশ্যই ওদেরকে প্রশ্ন করা হবে।

[১] অর্থাৎ, কুফরের নেতারা ও ভ্রষ্টতার দিকে আহবানকারীরা নিজেরা শুধু নিজেদের বোঝাই বইবে না; বরং তার সাথে ঐ সকল লোকেদের পাপের বোঝাও তাদের উপর হবে, যারা তাদের চেষ্টায় পথভ্রষ্ট হয়েছিল। এ বিষয়টি সূরা নাহল ১৬:২৫ নং আয়াতেও বর্ণিত হয়েছে। হাদীসের মধ্যে আছে, "যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে আহবান করে (দাওয়াত দেয়) সে ব্যক্তির ঐ পথের অনুসারীদের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হবে। এতে তাদের সওয়াব থেকে কিছু মাত্র কম হবে না। আর যে ব্যক্তি অসৎ পথের দিকে আহবান করে সেই ব্যক্তির ঐ পথের অনুসারীদের সমপরিমাণ গোনাহর ভাগী হবে। এতে তাদের গোনাহ থেকে কিছুমাত্র কম হবে না।" (মুসলিম ২৬৭৪নং প্রমুখ) এই নিয়মানুসারে কিয়ামত পর্যন্ত অন্যায়ভাবে যত হত্যা হবে তাদের পাপের একটি অংশ আদমের পুত্র কাবীলের উপর বর্তাবে।

কারণ, মানুষের ইতিহাসে সেই প্রথম অন্যায়ভাবে হত্যা করেছিল। (মুসনাদে আহমাদ)

অন্য ভাষার তাফসীর · ৭