হে তোমরা যারা ঈমান এনেছো! যখন তোমাদের কারো কাছে মৃত্যু উপস্থিত হয়(৩১), তখন ওসিয়্যাত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে দু'জন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখবে অথবা অন্যদের থেকে দু’জন সাক্ষী রাখবে, যদি তোমরা জমিনে সফরে থাকো, অতঃপর তোমাদেরকে মৃত্যুর বিপদ পেয়ে বসে।যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে সালাতের পর (সবার সামনে) অপেক্ষমাণ রাখবে। অতঃপর তারা উভয়ে আল্লাহর নামে শপথ করবে যে, ‘আমরা এর বিনিময়ে কোন মূল্য গ্রহণ করব না; যদিও সে আত্মীয় হয়। আর আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না, করলে অবশ্যই আমরা গুনাহগারদের অন্তর্ভুক্ত হব।’
হে মুমিনগণ! তোমাদের কারো যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে দুজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে অথবা [১] অন্যদের (অমুসলিমদের) থেকে দু’জন সাক্ষী মনোনীত করবে,যদি তোমারা সফরে থাক এবং তোমাদেরকে মৃত্যুর বিপদ পেয়ে বসে। যদি তোমাদের সন্দেহে হয়, তবে উভয়কে সালাতের পর অপেক্ষমান রাখবে। তারপর তারা আল্লাহ্র নামে শপথ করে বলবে, ‘আমারা তার বিনিময়ে মূল্য কোনো গ্রহণ করব না যদি সে আত্মীয় হয় এবং আমরা আল্লাহর সাক্ষ্য গোপন করব না, করলে অবশ্যই আমারা পাপীদের অন্তর্ভুক্ত হব।’
ব্যাখ্যা ও টীকা
[১] অর্থাৎ যদি মুসলিম কোনো সাক্ষী রাখা সম্ভবপর না হয়। কারণ, সাধারণতঃ সফর অবস্থায় সবসময় মুসলিমদের সাক্ষী হিসেবে পাওয়া দুস্কর। তাই প্রয়োজনের খাতিরে কাফেরদেরকে সাক্ষী রাখতে বলা হয়েছে। [মুয়াসসার] তবে তাদেরকে সাক্ষী রাখার ক্ষেত্রে কি নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে তা এ আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে।