এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ৫ : আয়াত ৬০

সূরা ৫ : আয়াত ৬০

قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ ٱللَّهِ ۚ مَن لَّعَنَهُ ٱللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ ٱلْقِرَدَةَ وَٱلْخَنَازِيرَ وَعَبَدَ ٱلطَّـٰغُوتَ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَأَضَلُّ عَن سَوَآءِ ٱلسَّبِيلِ

(হে রাসূল! তাদেরকে) বল: ‘আমি কি তোমাদেরকে আল্লাহর কাছে এর চেয়েও নিকৃষ্ট পরিণতির সংবাদ দিবো কি? (তারা হলো মূলত এদেরই পূর্বসূরি) যাকে আল্লাহ লা‘নত দিয়েছেন, যার উপর তিনি ক্রোধান্বিত হয়েছেন এবং যাদের কাউকে তিনি (আকৃতি পরিবর্তন করে) বানর ও কাউকে শূকর বানিয়েছেন এবং (তাদের) কেউ তাগূতের(৮) উপাসনা করেছে। তারাই অবস্থানের দিক থেকে নিকৃষ্ট এবং সরল-সঠিক পথ থেকে সর্বাধিক বিচ্যুত।‘

ড. আবু বকর যাকারিয়ার ব্যাখ্যাসহ অনুবাদ

বিস্তারিত বাংলা ব্যাখ্যা পড়ুন

আয়াতের অনুবাদ

বলুন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এর চেয়ে নিকৃষ্ট পরিণামের সংবাদ দেব যা আল্লাহর কাছে আছে? যাকে আল্লাহ লা’নত করেছেন এবং যার উপর তিনি ক্রোধান্বিত হয়েছেন। আর যাদের কাউকে তিনি বানর ও কাউকে শূকর করেছেন [১] এবং (তাদের কেউ) তাগূতের ইবাদাত করেছে। তারাই অবস্থানের দিক থেকে নিকৃষ্ট এবং সরল পথ থেকে সবচেয়ে বেশি বিচ্যুত’।

ব্যাখ্যা ও টীকা

[১] হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ কোনো বিকৃতদের বংশ বা উত্তরাধিকার রাখেন নি। এর আগেও বানর ও শূকর ছিল।” [মুসলিম ২৬৬৩] সুতরাং বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা এভাবে বানর ও শূকরে রুপান্তরিত হয়েছিল তাদের বংশবৃদ্ধি ঘটেনি। বানর ও শুকর এ ঘটনার আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে। বর্তমান বানর ও শূকরের সাথে বিকৃতদের কোনো সম্পর্ক নেই।

অন্য ভাষার তাফসীর · ৭