এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ১০ : আয়াত ৩১

সূরা ১০ : আয়াত ৩১

قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ أَمَّن يَمْلِكُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَـٰرَ وَمَن يُخْرِجُ ٱلْحَىَّ مِنَ ٱلْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ ٱلْمَيِّتَ مِنَ ٱلْحَىِّ وَمَن يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ ۚ فَسَيَقُولُونَ ٱللَّهُ ۚ فَقُلْ أَفَلَا تَتَّقُونَ

(হে রাসূল! আল্লাহর সাথে শিরককারীদেরকে) বলে দাও:, ‘কে তোমাদেরকে আসমান (থেকে বৃষ্টি বর্ষণের মাধ্যমে) এবং জমিন থেকে (উদ্ভিদ উৎপন্ন করে) রিযক দেয়? অথবা শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি কার কর্তৃত্বে আছে? কে জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন? এবং কে মৃতকে জীবিত হতে বের করেন? আর কে (আসমান ও জমিন এবং এতদুভয়ের মাঝের) সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন?’ তখন তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ’। সুতরাং তুমি তাদেরকে বলে দাও: ‘তোমরা কি এ ব্যাপারটি জেনেও (আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে) তাঁকে ভয় করবে না?’

তাফসীর আহসানুল বায়ান

তুমি বল, ‘তোমাদেরকে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী হতে রুযী দান করে কে? অথবা কর্ণ ও চক্ষুসমূহের মালিক কে? আর মৃত হতে জীবন্ত এবং জীবন্ত হতে মৃত বের করে কে? আর সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে কে?’ তারা বলবে, ‘আল্লাহ।’[১] অতএব তুমি বল, ‘তাহলে কেন তোমরা সাবধান হও না?’

[১] এই আয়াত দ্বারাও পরিষ্কার বুঝা যায় যে, মুশরিকরা আল্লাহ তাআলাকে মালিক, সৃষ্টিকর্তা, প্রতিপালক এবং তাঁকে বিশ্ব-পরিচালক হিসাবে স্বীকার করত। কিন্তু স্বীকারের পরেও যেহেতু তারা তাঁর একতত্ত্ববাদে অন্যদেরকে শরীক করত, তার ফলে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে জাহান্নামের জালানী বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে অনেক ঈমানের দাবীদারও উক্ত তওহীদে উলুহিয়্যার অস্বীকারকারী। "তাদের অন্তরগুলি পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।" আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত করুন। আমীন।

অন্য ভাষার তাফসীর · ৭