এই আয়াতের তাফসীর

সূরা ১১ : আয়াত ১১২

সূরা ১১ : আয়াত ১১২

فَٱسْتَقِمْ كَمَآ أُمِرْتَ وَمَن تَابَ مَعَكَ وَلَا تَطْغَوْا۟ ۚ إِنَّهُۥ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ

সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি যেভাবে আদিষ্ট হয়েছো সেভাবে তুমি এবং তোমার সাথী যারা তাওবা করেছে, সকলে অবিচল থাকো।(৩৯) আর সীমালঙ্ঘন করো না। তোমরা যা করছো, নিশ্চয় তিনি তার সম্যক দ্রষ্টা।

তাফসীর ইবনে কাসীর

১১২-১১৩ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআ’লা স্বীয় রাসুল (সঃ) এবং তাঁর মুমিনমু’মিন বান্দাদেরকে সরল সোজা পথের উপর প্রতিষ্ঠিত ও অটল থাকার নির্দেশ দিচ্ছেন। এটাই সবচেয়ে বড় কথা। সাথে সাথে তিনি তাদেরকে বিরুদ্ধাচরণ ও হঠকারিতা থেকে নিষেধ করছেন। কেননা, এটাই হচ্ছে ধ্বংসকারী বিষয়। যদিও তা কোন মুশরিকের উপরও করা হয়। আর জেনে রেখোঁরেখো যে, আল্লাহ তাআ’লা তাঁর বান্দাদের কার্যকলাপ সম্যকভাবে প্রত্যক্ষ করছেন। তাদের কোন কাজ থেকেই তিনি উদাসীন ও অমনোযোগী নন এবং তার কাছে কোন কিছু গোপনও নেই।(আরবি) হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবি) এর অর্থ হচ্ছে (আরবি) অর্থাৎ তোমরা ধর্মের কাজে অবহেলা প্রদর্শন করো না।

তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, এর অর্থ হচ্ছেঃ তোমরা শিরকের দিকে ঝুঁকে পড়ো না। আর আবুল আ’লিয়া (রঃ) বলেন যে, এর অর্থ হলো: তোমরা তাদের (যালিমদের) কাজে সন্তুষ্ট হয়ো না। ইমাম ইবনু জারীর (রঃ) হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, এর অর্থ হচ্ছেঃ তোমরা যালিমদের দিকে ঝুঁকে পড়োনা। এটাই হচ্ছে উত্তম উক্তি। অর্থাৎ তোমরা যালিমদেরকে সাহায্য করো না। তাহলে তোমরা এই রূপ হবে যে, তোমরা তাদের কাজে সম্মত হয়ে গেছে। এরূপ হলে অগ্নি তোমাদের স্পর্শ করবে এবং তখন কে এমন হবে যে, তোমাদের থেকে শাস্তি দূর করতে পারে? এমতাবস্থায় তোমাদেরকে মোটেই সাহায্য করা হবে না।

অন্য ভাষার তাফসীর · ৭